নুরুল আমিন হাসান, নিজস্ব সংবাদদাতা: পুলিশের চোখে ধোঁকা দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিলো মাদক কারবারি জামাল হোসেন (৪৯)। কিন্তু পুলিশের ডগ স্কোয়াড টিমের একটি কুকুর দৌঁড়ে গিয়ে তাকে ধরে ফেলে। পরে তার কাছ থেকে ৮ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
[caption id="attachment_1075" align="alignnone" width="1024"]
ছবি: মেঘনা টেলিভিশন[/caption]
গ্রেপ্তার হওয়া ওই মাদক কারবারি হলেন, রবগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বড় পাথরঘাটা গ্রামের মৃত নাজেম গোদদারের ছেলে জামাল হোসেন।
ঘটনাস্থলে থাকা পথচারীরা বলেন, আটক হাজার পিস ইয়াবা হওয়া গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তি একটি পাঠাওয়ের মোটরসাইকেলে করে টঙ্গীর দিক থেকে আব্দুল্লাহপুর চেকপোস্টে এসেছিলেন।
সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যরা মোটর সাইকেলটির চালকের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করছিলেন ওই সময় দাঁড়ি থাকা ও পাঞ্জাবি পরিহিত ব্যক্তিটি মোটর সাইকেল থেকে নেমে কাধে একটি ব্যাগ নিয়ে পায়ে হেঁটে চলে যাচ্ছিলেন।
ওই সময় পুলিশের সাথে থাকা একটি কুকুর দৌঁড়ে গিয়ে তাকে ধরে ফেলে। পরে পুলিশ সদস্যরা তার ব্যাগ তল্লাশি করে ৮ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পায়।
এ বিষয়ে ডিএমপির উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহিববুল্লাহ বলেন, 'ডিএমপি কমিশনার স্যারের নির্দেশে উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রওনক জাহান স্যারের নেতৃত্বে আমরা আব্দুল্লাহপুরে চেকপোস্ট পরিচালনা করছিলাম।
ওই সময় মোটরস সাইকেলে আসা জামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তির ব্যাগ তল্লাশি করি। তল্লাশির এক পর্যায়ে তার পিঠে থাকা কালো রংয়ের স্কুল ব্যাগ হতে ৪০টি নীল রংয়ের এয়ার টাইট পলিথিনে রক্ষিত ৮০০০ পিচ হালকা গোলাপী রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
তিনি বলেন, 'এ ঘটনার এক ঘন্টা আগেও এক ব্যক্তিকে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুটি পৃথক ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় দুটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ওসি মুহিববুল্লাহ বলেন, 'গ্রেপ্তার হওয়া জামালের বিরুদ্ধে সিএমপি'র বাকলিয়া থানায়, ভোলার সদর থানায়, বরগুনার পাথরঘাটা থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো মাদক, চুরির অভিযোগে হয়েছে।