
নরসিংদীর পলাশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করাসহ জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে মেয়র প্রত্যাশী বিএনপি নেতা ফজলুল কবির জুয়েলের ওপর হামলা করে তাকে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
গত রোববার (১৫ জুন) বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ নেতাকর্মী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার (১৮ জুন) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন জেলা বিএনপিরি সহ সাংগঠনিক ফজলুল কবির জুয়েলের মেজো ভাই হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে জুয়েল ব্যাপক জনপ্রিয় হওয়ায় এবং প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতা বাহাউদ্দিন ভূইয়া মিল্টন ও আলম মোল্লার সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় তার উপর হামলা চালানো হয়।
এঘটনায় পলাশ থানায় দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন।
নরসিংদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা ফজলুল কবির জুয়েলের মেজো ভাই হুমায়ুন কবির বলেন, তাঁর ভাই ঘোড়াশাল পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী। গত রোববার (১৫ জুন) বিকেলে পলাশ বাসস্ট্যান্ড মোড় এলাকায় বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার কর্সূচীর প্রচারনা চালাতে গেলে প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতা আলম মোল্লার নেতৃত্বে পাপন বাদশা, আরিফ, আমান উল্লাহসহ ১০০/১৫০ জন স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলার শিকার হন। এসময় তাদের এলোপাতারি ককটেল বিষ্ফোরণ ও গুলির আঘাতে জুয়েলসহ তার একাধিক সমর্থক গুরুতর আহত হয়। পাশাপাশি জুয়েলকে বাঁচাতে গিয়ে তার ভাতিজা তৈয়ব আলী, পেটে গুলিবিদ্ধ হয়। এছাড়া পথচারী সোহেল, মিঠু ও ছাত্রলীগ কর্মী ইসমাইলও গুলিবিদ্ধ হয়।
তিনি আরো বলেন, জুয়েল আত্মরক্ষার্থ পলাশ মোড় সংলগ্ন মসজিদে অবস্থান করলে সেখানে গিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়।
এসময় তার ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করে নগদ টাকা লুট করে নেয় সন্ত্রাসীরা। জুয়েল বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় জুয়েলের শ্বাশুড়ি বাদি হয়ে আলম মোল্লাকে প্রধান আসামী করে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, এঘটনায় দুইপক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করেছেন। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।