নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীর চর মধুয়া ইউনিয়ন যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের গুঞ্জন শুরু হতেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকা পরীক্ষিত সৈনিক মিনহাজ তালুকদার এবার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তার এই ঘোষণায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
২০০৯ সাল থেকে টানা ১৭ বছর ধরে চর মধুয়া যুবদলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন মিনহাজ তালুকদার। দলের দুঃসময়ে প্রতিটি রাজপথে তার সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি কখনো আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি, বরং তৃণমূলের কর্মীদের সুখ-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে থেকেছেন।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও লক্ষ্য সম্পর্কে মিনহাজ তালুকদার বলেন, "২০২৪ সালে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল সাহেবকে নিয়ে আমার যে সুদূরপ্রসারী চিন্তা-চেতনা ছিল, আমি সর্বদা তা লালন করেছি। সেই লক্ষ্যেই ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল সাহেবের সমর্থনে আমি নিরলসভাবে কাজ করে গেছি।
তিনি আরও বলেন, "মাননীয় এমপি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল সাহেবের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, এলাকার গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস যাচাই-বাছাই করা হোক। সেই প্রকৃত ইতিহাস ও ত্যাগের মূল্যায়ন করে পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে চর মধুয়া ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি গঠন করা হলে দলে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।"
তৃণমূলের কর্মীরা মনে করেন, মিনহাজ তালুকদার কেবল একজন সভাপতি পদপ্রার্থী নন, তিনি কর্মীদের হৃদয়ের স্পন্দন। ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনীতিতে বিদ্যমান স্থবিরতা কাটাতে তার মতো অভিজ্ঞ ও লড়াকু নেতার কোনো বিকল্প নেই। কর্মীদের প্রত্যাশা, তার নেতৃত্বে ইউনিয়ন যুবদল আগামী দিনে যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরও শক্তিশালী ও অজেয় হয়ে উঠবে।
নিজের প্রার্থিতা সম্পর্কে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে মিনহাজ তালুকদার বলেন, "আমি সবসময় দলের হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে চলেছি। চর মধুয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন আমার শক্তি। দায়িত্ব পেলে যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার অঙ্গীকার করছি।
আসন্ন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় মিনহাজ তালুকদারের মতো তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতার নাম জোরালোভাবে উঠে আসায় ইউনিয়ন যুবদলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন কর্মীরা। এখন স্থানীয় নেতাকর্মীদের চোখ, দল ও নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই প্রত্যাশা কতটুকু বাস্তবে রূপ নেয়।