শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রায়পুরায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব নরসিংদী জেলা যুবদল:নেতৃত্বের পরীক্ষায় মহসীন হোসাইন বিদ্যুৎ হত্যার পর ফেলে দেওয়া হয়েছিল নদীতে, ৬ দিন পর ভেসে উঠলো লাশ। নরসিংদীর রায়পুরায় হিন্দু গ্রাম পুলিশ নিখোঁজ: ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টর অভিযোগ। নরসিংদীতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: চাপাতিসহ আটক রাহাত রায়পুরার মির্জাপুর ইউনিয়ন কর্মী সম্মেলনে তৃণমূল নেতাদের মূল্যায়নের বার্তা মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন: আলোকবালীতে মাদকবিরোধী মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধাপেরহাটে জামায়াতের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ও আন্তঃওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত। নরসিংদীর রায়পুরায় সংঘাত ও হত্যাকাণ্ডে উত্তপ্ত পরিস্থিতি: অপরাধীদের বিরুদ্ধে এমপির জিরো টলারেন্স নীতি রায়পুরার নিলক্ষায় সংঘর্ষে নিহত অনিকের’মা’নাসিমা খাতুন বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছেন।

এক বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে দুই বিষয়ে ফেল

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:
এক বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফলাফলে দেখা গেল দুই বিষয়ে ফেল। এমন অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার শ্রীকর্ণদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, শ্রীকর্ণদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্যারিগরি শাখার শিক্ষার্থী জিৎ চন্দ্র মোহন্ত ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তিনি মোট ১৪টি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে শুধুমাত্র গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হন।

এরপর এক বছর কঠোর অধ্যবসায়ের পর ২০২৫ সালে তিনি শুধুমাত্র গণিত বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু অনলাইনে ফলাফল দেখতে গিয়ে তিনি দেখেন, ফলাফলে তাকে দুইটি বিষয়ে ফেল দেখানো হয়েছে—গণিত ও কৃষি। অথচ তার এডমিট কার্ডে শুধু গণিত বিষয়েই অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

শিক্ষার্থী জিৎ চন্দ্র মোহন্ত বলেন, আমি ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শুধু গণিতে ফেল করেছিলাম। সে অনুযায়ী ২০২৫ সালে শুধুই গণিত বিষয়ে পরীক্ষা দিই। কিন্তু এখন ফলাফলে দেখছি কৃষিতেও ফেল দেখানো হয়েছে, যেটি পরীক্ষার মধ্যে ছিলই না। আমি বিস্মিত ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের ক্যারিগরি শাখার সহকারী শিক্ষক ওরম ফারুক বলেন, ‘বোর্ডের কোনো কারিগরি ত্রুটির কারণে এমন ফলাফল আসতে পারে। নম্বরপত্র (মার্কশিট) দেওয়ার সময় এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রুহুল আমিন জানান, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি এবং খোঁজ নিচ্ছি। আমাদের বিদ্যালয়ের আরও দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ঘটনা ঘটেছে। কৃষি ‘ফোর্থ সাবজেক্ট’ হওয়ায় চূড়ান্ত ফলাফলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। গণিতে পাস করলে মোট ফলাফলেও পাস দেখাবে। তবে আমরা বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL