মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীর শিবপুরে প্রথম স্বামীকে না জানিয়েই ইতালি প্রবাসীকে শিক্ষিকার বিয়ে, আদালতে মামলা! অন্তঃসত্ত্বা নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও কমিউনিটি নেতাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ঘোড়াশালে আড়াই মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি এটি হত্যা ! নরসিংদী- মদনগঞ্জ রোডের মাধবদীতে ময়লার স্তূপে মরদেহ ফেলে রাখা হত্যা মামলার ৪ আসামিকে গ্রেফতার। নরসিংদীতে গোসলে নেমে তিন বোনের মৃত্যু মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সদয় দৃষ্টি কামনায় বিএনপির ত্যাগী কর্মী শিপন হোসেনের বাঁচার আকুতি নতুন ৩ উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের যে জেলার ডিসি ইউএনও সবাই নারী নরসিংদীর শিবপুরে মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

নরসিংদীর শিবপুরে প্রথম স্বামীকে না জানিয়েই ইতালি প্রবাসীকে শিক্ষিকার বিয়ে, আদালতে মামলা!

নিজস্ব প্রতিনিধি:

নরসিংদীর শিবপুরে প্রথম স্বামীকে আইনগতভাবে ডিভোর্স (তালাক) না দিয়ে, দুই সন্তান রেখে এক ইতালি প্রবাসীকে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত শিক্ষিকার নাম কোহিনূর আক্তার। তিনি উপজেলার ৫৪ নম্বর পাহাড় জয়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন।এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। এদিকে, ভুক্তভোগী স্বামী আফতাব উদ্দিন এই প্রতারণার প্রতিকার চেয়ে নরসিংদীর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বাদী আফতাব উদ্দিন রায়পুরা উপজেলার বামনারটেক মরজাল গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণ ও ভুক্তভোগী স্বামীর দাবি অনুযায়ী, শিক্ষিকা কোহিনূর আক্তারের সাথে আফতাব উদ্দিনের দীর্ঘ ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবন। তাঁদের সংসারে ১৪ বছর বয়সী একটি ছেলে এবং ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।আফতাব উদ্দিন জানান, গত কোরবানির ঈদে তাঁর স্ত্রীর আচরণে কিছু পরিবর্তন ও সন্দেহ দেখা দিলে তিনি পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি তালাকের কাগজ পান। তাঁর দাবি—আইনগতভাবে কোনো বৈবাহিক সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক নিষ্পত্তি বা বৈধ ডিভোর্স সম্পন্ন না করেই কোহিনূর আক্তার পরকীয়ায় লিপ্ত হন। এরপর তিনি ইতালি প্রবাসী আবুল কালাম আজাদ নামের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। জানা গেছে, ওই প্রবাসীর ঘরেও আগের পক্ষের চার সন্তান রয়েছে।

প্রথম বিয়ের বৈধ সমাপ্তি না টেনে এভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করার বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকাবাসী ও সহকর্মীদের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও নিন্দার সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী স্বামী আফতাব উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে অভিযোগ করেন, “এই ঘটনার পর থেকে আমি চরম আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার নিষ্পাপ দুটি সন্তানের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি গভীর উদ্বিগ্নতায় দিন কাটাচ্ছি।”

তিনি এই জঘন্য প্রতারণার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL