রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমিক বিক্ষোভ মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দাবি ডিবি কর্মকর্তার মিরপুরে নাশকতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ! পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ গাজীপুর-সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি উন্নত চিকিৎসার প্রত্যয়ে রায়পুরায় ‘ফেয়ার হেলথ কেয়ার’-এর শুভ সূচনা এইচএসসিতে যে দুই বিষয়ে ফেলের সংখ্যা বেশি ত্যাগের রাজনীতি ও সংগ্রামের অগ্নিপরীক্ষা: পলাশতলীকে মডেল ইউনিয়ন গড়ার দীপ্ত শপথ লড়াকু নেতা মোবারক হোসেন কবিরের ভারত থেকে আসা চালে ক্যানসার সৃষ্টিকারী ‘আফলাটক্সিন’ শনাক্ত, বিতরণ সাময়িক বন্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ কেন্দুয়ায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত, আহত মা-মেয়ে সরকারি বাসভবন ভাড়া দিলে ব্যবস্থা, শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশ

দাবি ডিবি কর্মকর্তার মিরপুরে নাশকতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ!

ছবিঃমেঘনা টিভি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজধানীর মিরপুরে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে মিশে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

আজ রোববার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান ডিবি মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খাঁন।

তিনি বলেন, মিরপুর ১০ ও এর আশপাশে এলাকায় অভিযানে আটকরা বরিশাল, পটুয়াখালী, কক্সবাজার, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন জেলার তৃনমূল নেতা। মিরপুরের পলাতক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগ্নে আলিফ মোল্লা মূলত এই নাশকতার সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন। আলিফই মূলত ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে এসব নেতাকর্মীকে ঢাকায় এনেছেন। প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী এখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের শনাক্ত করে আটক অভিযান চলমান।

ডিবি কর্মকর্তা বলেন, কয়েকদিন ধরে ৩০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন করছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। তবে গতকাল শনিবার থেকে তারা বেশ সহিংস হয়ে ওঠে। আজও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।

মোহাম্মদ রাকিব খাঁন বলেন, সাধারণ শ্রমিকদের ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নাশকাতার চেষ্টা করছে। শ্রমিকদের আন্দোলনের মাঝে থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে আজ সকাল থেকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের একপর্যায়ে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সকাল ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে মিরপুর-১১, ১২ ও প্রশিকা মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেন।

এ সময় সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL