রাজনীতি মানেই ক্ষমতার মোহ নয়, রাজনীতি হলো মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে ঘাম ঝরানোর এক কঠিন ব্রত। দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে স্বৈরাচার ও জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাজপথে বুক চিতিয়ে লড়ে যাওয়া এমনই এক আপসহীন সৈনিকের নাম মো. মোবারক হোসেন কবির।নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পলাশতলী ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের এই সন্তান আজ কেবল একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি চরম প্রতিকূলতার মাঝেও আদর্শচ্যুত না হওয়া এক প্রতীকী নাম।
দীর্ঘ দুই যুগের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও কারাবাস
ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন মোবারক হোসেন কবির। তিনি সাবেক পলাশতলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব এবং রায়পুরা কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি রায়পুরা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন অগ্রসেনানী। ফলস্বরূপ, তাকে বারবার পুলিশি নিপীড়ন, বর্বরোচিত হামলা ও কারা নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। মিথ্যা মামলা আর হুলিয়া মাথায় নিয়েও তিনি দলের আদর্শ থেকে এক চুলও নড়েননি। তাঁর এই ত্যাগ, দেশপ্রেম ও সাহসিকতার প্রত্যক্ষ সাক্ষী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি ও রায়পুরার গণমানুষের নেতা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল।
আসন্ন পলাশতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন এই পরীক্ষিত নেতা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, দুঃসময়ে দলের পাশে থাকা এবং রাজপথের কঠিন লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেওয়া মোবারক হোসেন কবিরের মতো ত্যাগী নেতাই পলাশতলী ইউনিয়নকে সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারেন। দল তাঁর এই দীর্ঘ দুই যুগের ত্যাগ ও সংগ্রামের যথাযথ মূল্যায়ন করবে বলে তাঁরা দৃঢ় আশাবাদী।
জনকল্যাণে যা বললেন মো. মোবারক হোসেন কবির:
ইউনিয়নবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে নিজের ভাবনার কথা জানাতে গিয়ে মোবারক হোসেন কবির আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন।
“বিগত দিনে চরম জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেও আমি রাজপথ ছাড়িনি। আমার বিশ্বাস, আমার দল ও পলাশতলীর সাধারণ মানুষ আমার এই দীর্ঘ ত্যাগ মূল্যায়ন করবে। আমি যদি আপনাদের সেবা করার সুযোগ পাই, তবে পলাশতলী ইউনিয়নকে একটি মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো।
তরুণ প্রজন্মকে ধংসের হাত থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা ও শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হবে। ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে পলাশতলীকে রায়পুরা উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর, নিরাপদ ও সুশাসিত ইউনিয়ন হিসেবে সাজাবো, ইনশাআল্লাহ।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা
পলাশতলী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজের প্রত্যাশা, সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে রাজপথে লড়ে যাওয়া মোবারক হোসেন কবিরের মতো সৎ ও সাহসী নেতৃত্বই ইউনিয়নের চেহারা পাল্টে দিতে পারে। একটি পরিচ্ছন্ন, উন্নত ও আধুনিক পলাশতলী গড়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখছেন, তা বাস্তবায়িত হোক এমনটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবি।