শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব নরসিংদী জেলা যুবদল:নেতৃত্বের পরীক্ষায় মহসীন হোসাইন বিদ্যুৎ হত্যার পর ফেলে দেওয়া হয়েছিল নদীতে, ৬ দিন পর ভেসে উঠলো লাশ। নরসিংদীর রায়পুরায় হিন্দু গ্রাম পুলিশ নিখোঁজ: ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টর অভিযোগ। নরসিংদীতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: চাপাতিসহ আটক রাহাত রায়পুরার মির্জাপুর ইউনিয়ন কর্মী সম্মেলনে তৃণমূল নেতাদের মূল্যায়নের বার্তা মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন: আলোকবালীতে মাদকবিরোধী মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধাপেরহাটে জামায়াতের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ও আন্তঃওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত। নরসিংদীর রায়পুরায় সংঘাত ও হত্যাকাণ্ডে উত্তপ্ত পরিস্থিতি: অপরাধীদের বিরুদ্ধে এমপির জিরো টলারেন্স নীতি রায়পুরার নিলক্ষায় সংঘর্ষে নিহত অনিকের’মা’নাসিমা খাতুন বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছেন। নরসিংদীতে সংঘর্ষ: পুলিশের ভেস্ট পরা আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার 

মির্জাপুরে আশ্রয়ণের ১২০ ঘরে তালা

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল,মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা:

শুরু থেকেই অন্যত্র থাকেন বরাদ্দপ্রাপ্তরা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিনা মূল্যে পাওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪১৯টি ঘরের মধ্যে ১২০টিতেই কেউ না থাকায় তালা ঝুলছে। উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের নরদানা গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ অধিকাংশ আশ্রয় প্রকল্পেই এই দৃশ্য দেখা গেছে।

বিগত সরকার উপজেলার ভূমিহীন-গৃহহীন ৪১৯ ভবঘুরে অসহায় পরিবারকে দুই শতক জমিসহ ঘর দিয়েছিল। কিন্তু অনেকেই এই সুযোগ পাওয়ার পরও আশ্রয়ণ প্রকল্পে না থেকে অন্যত্র থাকছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার ৫ নম্বর বানাইল ইউনিয়নের অধীনে নরদানা গ্রামে আশ্রয়ণের ২৯টি ঘর রয়েছে।  সরেজমিনে ঐ এলাকায় গিয়ে ২২ টি ঘরে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, বন্ধ ঘরগুলোতে শুরু থেকেই কেউ থাকে না। মাসে দুই-একবার অনেক ঘরে লোক দেখা যায়। কেউ আবার মাসে একবার এসে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ নিয়ে যায়। একটি ঘরের মালিকানা এসিল্যান্ড অফিসের মাধ্যমে পরিবর্তন করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেউ কেউ আশ্রয়ণের ঘর বিক্রি করে দেওয়ার পাঁয়তারাও করছেন। একই অবস্থা দেখা গেছে ১০ নম্বর গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা আশ্রয়ণ প্রকল্পেও। এখানে ২০/২২ টি ঘরে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান বলেন, দুই-একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে বরাদ্দকৃত ঘরে লোকজন থাকে না বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। যদি কেউ ঘরে না থাকেন তবে বরাদ্দকৃত জমিসহ তার ঘর বাতিল করে অন্য হতদরিদ্রদের মধ্যে সেগুলো বরাদ্দ দেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL