রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীর শিবপুরে মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত রায়পুরায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব নরসিংদী জেলা যুবদল:নেতৃত্বের পরীক্ষায় মহসীন হোসাইন বিদ্যুৎ হত্যার পর ফেলে দেওয়া হয়েছিল নদীতে, ৬ দিন পর ভেসে উঠলো লাশ। নরসিংদীর রায়পুরায় হিন্দু গ্রাম পুলিশ নিখোঁজ: ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী পৈত্রিক সম্পত্তি দখলচেষ্টর অভিযোগ। নরসিংদীতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: চাপাতিসহ আটক রাহাত রায়পুরার মির্জাপুর ইউনিয়ন কর্মী সম্মেলনে তৃণমূল নেতাদের মূল্যায়নের বার্তা মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন: আলোকবালীতে মাদকবিরোধী মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধাপেরহাটে জামায়াতের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ও আন্তঃওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত। নরসিংদীর রায়পুরায় সংঘাত ও হত্যাকাণ্ডে উত্তপ্ত পরিস্থিতি: অপরাধীদের বিরুদ্ধে এমপির জিরো টলারেন্স নীতি

তেরখাদায় পচা মাংস বিক্রির অভিযোগে সাহেব আলীকে আটক ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা

তেরখাদা প্রতিনিধি:

খুলনা থেকে পচা মাংস এবং পচা নাড়িভুঁড়ি আমদানি করে বাড়িতে রান্না করে তেরখাদা থানার প্রবেশদ্বারে হোটেলে বিক্রী করার অভিযোগে ১৫ মে দুপুর ১২টার দিকে সাহেব হোটেলের মালিক সাহেব আলীকে আটক করে যৌথ বাহিনীর একটি চৌকস দল।

সাহেব আলী দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি দল গতকাল সকাল থেকে সাহেব আলীর গতিবিধি অনুসরণ করছিলেন।
সে খুলনা থেকে সিএনজি তে করে পচা মাংস, পচা নাড়ীভূড়ি নিয়ে বাড়ির দিকে আসছিলো।
সে তার বাড়ির অদূরে পৌছালে তাকে সিএনজির পচা মাংস ও ভুড়িসহ তাকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা আটক করে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি ) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আখি শেখ ঘটনাস্থলে আসেন।

তিনি যৌথ বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সাহেব আলীর দোকানে এবং বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। পচা মাংস এবং পচা নাড়িভুড়ি আমদানি করে তা বাড়িতে রান্না করে হোটেলে বিক্রি করার অপরাধে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আঁখি শেখ ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন।

পচা মাংস ও পচা নাড়িভুড়ি বিক্রি করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আখি হোটেল মালিক সাহেব আলীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং খুলনা থেকে আমদানিকৃত পচা মাংস ও পচা নাড়িভুঁড়ি জনসমক্ষে বিনষ্ট করেন।
যা মাটিতে পুতে ফেলানো হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা কালে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর দোহলে রানা, যৌথ বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান, তেরখাদায় প্রতিদিন ৩/৪টা গরু জবাই হয়। কয়েকশ কেজি মাংস বিক্রি হয় সাহেব আলী রহস্যজনক কারণে খুলনা থেকে এসব মাংস আমদানি করে। স্থানীয় লোকজন হোটেল মালিক সাহেব আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অপরদিকে হোটেল মালিক সাহেব আলী থানার সামনে জনসমক্ষে দু’হাত তুলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের অপকর্ম থেকে বিরত থাকবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL