রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমিক বিক্ষোভ মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দাবি ডিবি কর্মকর্তার মিরপুরে নাশকতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ! পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ গাজীপুর-সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি উন্নত চিকিৎসার প্রত্যয়ে রায়পুরায় ‘ফেয়ার হেলথ কেয়ার’-এর শুভ সূচনা এইচএসসিতে যে দুই বিষয়ে ফেলের সংখ্যা বেশি ত্যাগের রাজনীতি ও সংগ্রামের অগ্নিপরীক্ষা: পলাশতলীকে মডেল ইউনিয়ন গড়ার দীপ্ত শপথ লড়াকু নেতা মোবারক হোসেন কবিরের ভারত থেকে আসা চালে ক্যানসার সৃষ্টিকারী ‘আফলাটক্সিন’ শনাক্ত, বিতরণ সাময়িক বন্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ কেন্দুয়ায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত, আহত মা-মেয়ে সরকারি বাসভবন ভাড়া দিলে ব্যবস্থা, শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর নির্দেশ

শ্রমিক বিক্ষোভ মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন

ছবিঃ মেঘনা টিভি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে পোশাকশ্রমিকরা। এ সময় মিরপুর ১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন তারা। এ ছাড়া সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে চেষ্টা চালালে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আজ রোববার সকাল থেকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের একপর্যায়ে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সকাল ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে মিরপুর-১১, ১২ ও প্রশিকা মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, সকাল থেকেই মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় শ্রমিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করছেন। সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে পুলিশ কাজ করছে।

এদিকে পোশাকশ্রমিকদের বেতন নির্ধারণের জন্য এরই মধ্যে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। তবুও শ্রমিকেরা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL