ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিকে আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করেন বিচারক। এ বিষয়ে আগামী ২৭ জানুয়ারি শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আবেদনে বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য প্রদানপূর্বক এক কোটি ৫৩ লাখ ৬৩ হাজার ৬৯০ টাকা মূল্যমানের সম্পত্তির তথ্য গোপন এবং অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ১ লাখ ৫৮ হাজার ১০৬ টাকা মূল্যমানের সম্পত্তি অর্জনপূর্বক ভোগ দখলে রাখার অপরাধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭ (১) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন আছে। জামিন মঞ্জুর করা হলে আসামি আত্মগোপন করতে পারে এবং তদন্ত কাজকে প্রভাবিত করতে পারে।
অপরদিকে দুর্নীতি মামলায় কারাগারে থাকা মতিউরের স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকির আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন একই আদালত। এদিন দুদকের পক্ষে আবেদনটি করেন সংস্থাটির উপপরিচালক মো. ইসমাইল।
আবেদনে বলা হয়, আসামি লায়লা কানিজ লাকি ১৩ কোটি ১ লাখ ৫৮ হাজার ১০৬ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের মালিকানা অর্জন করছেন মর্মে রেকর্ডপত্রে প্রমাণিত হয়েছে। এজন্য তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭ (১) ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি লায়লা কানিজের মূল আয়কর নথির ২০১২-২০১৩ থেকে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।