সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা মারা গেছেন মেসির বাবা! জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি, যা বলছে মন্ত্রণালয় রেলওয়ের অবহেলায় ভোগান্তি ও ঝুঁকিতে যাত্রীরা: নরসিংদী ও জিনারদীতে চরম দুর্ভোগ ভারতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘হাসিনা কার্ড’ খেলবেন আর বন্ধুত্ব চাইবেন, দুটো বিপরীতমুখী বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু নরসিংদীর আলোকবালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ১ দশম গ্রেডের চাকরি, শতকোটি টাকার সম্পদ! রহনপুর পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সায়েমকে ঘিরে তোলপাড় নরসিংদীতে জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা নরসিংদীর শিবপুরে ৯০০ গ্রাম গাঁ’জা ও ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’প্তার।

স্কুলকক্ষ থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছাত্রী উদ্ধার, মিলল ‘ধর্ষণের’ আলামত

প্রতীকী ছবি

মিরপুর(কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় চিকিৎসকের ভাষ্য, প্রাথমিক পরীক্ষায় তার শরীরে ধর্ষণের আলামত মিলেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যায়। অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ২টায় স্কুল ছুটি হলেও সে বাড়ি ফিরে আসেনি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর পরিবার ও স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিলেও তার সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে রাত ৮টার দিকে ওই ছাত্রীকে স্কুলের একটি কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক ও নৈশপ্রহরীকে পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে।

​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের দপ্তরির কাছে গিয়ে বিদ্যালয় তল্লাশির জন্য চাবি চায়। কিন্তু দপ্তরি চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং দাবি করেন বিদ্যালয়ে কেউ নেই। তার এই রহস্যজনক আচরণে স্থানীয়দের সন্দেহ বেড়ে যায়। একপর্যায়ে পিয়নের সঙ্গে গ্রামবাসীর হাতাহাতি হয় এবং জোরপূর্বক চাবি নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন তারা। তল্লাশির এক পর্যায়ে স্কুলের দ্বিতীয় তলার একটি অন্ধকার কক্ষ থেকে মেয়েটিকে অজ্ঞান ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

​উদ্ধারের পর প্রথমে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম বলেন, ​‘বৃহস্পতিবার রাতে মেয়েটি অত্যন্ত মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে আসে। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার শরীরে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। বর্তমানে চিকিৎসা চলছে, তবে সে এখন আশঙ্কামুক্ত।

​বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। স্কুল প্রধান হিসেবে আমি এর দায় এড়াতে পারি না। অপরাধীকে শনাক্ত করতে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতা করব।

​এ বিষয়ে মিরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন,

‘ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরিবার বা অন্য কারও পক্ষ থেকে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL