মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রায়পুরার নিখোঁজ শ্যামল দাস হত্যাকাণ্ডের শিকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিলল লাশ নরসিংদীর রায়পুরা থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্ধার শ্রমিক বিক্ষোভ মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দাবি ডিবি কর্মকর্তার মিরপুরে নাশকতার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ! পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ গাজীপুর-সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি উন্নত চিকিৎসার প্রত্যয়ে রায়পুরায় ‘ফেয়ার হেলথ কেয়ার’-এর শুভ সূচনা এইচএসসিতে যে দুই বিষয়ে ফেলের সংখ্যা বেশি ত্যাগের রাজনীতি ও সংগ্রামের অগ্নিপরীক্ষা: পলাশতলীকে মডেল ইউনিয়ন গড়ার দীপ্ত শপথ লড়াকু নেতা মোবারক হোসেন কবিরের ভারত থেকে আসা চালে ক্যানসার সৃষ্টিকারী ‘আফলাটক্সিন’ শনাক্ত, বিতরণ সাময়িক বন্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

রায়পুরার নিখোঁজ শ্যামল দাস হত্যাকাণ্ডের শিকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিলল লাশ

খলিলুর রহমান রানা নিজস্ব প্রতিবেদক :

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার রহিমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ও ‘নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি’-র মালামাল সরবরাহকারী কর্মী শ্যামল চন্দ্র দাস (৫২) নিখোঁজের ৫ দিন পর লাশ হয়ে ফিরেছেন। গত ৩০ অক্টোবর চরাঞ্চলে কোম্পানির টাকা সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন। পরে পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

​নিহত শ্যামল রহিমাবাদ গ্রামের মৃত প্রমোদ দাসের ছেলে।

ছবি সংগৃহীত মেঘনা টিভি

থানায় লিখিত অভিযোগ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ অক্টোবর সকালে রায়পুরার আলোকবালী, বটতলী ও চর আড়ালিয়া এলাকার বিভিন্ন দোকানে মালামাল পৌঁছে দেওয়া ও বকেয়া টাকা সংগ্রহের জন্য বাড়ি থেকে বের হন শ্যামল। সাধারণত তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার খোাদাদিলা গ্রামের জহিরুল (২২) নামের এক মাঝির নৌকায় চরাঞ্চলে যাতায়াত করতেন।

​সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও শ্যামল বাড়ি না ফেরায় এবং তাঁর মোবাইল বন্ধ থাকায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্থানীয়দের সহায়তায় নৌকার মাঝি জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে স্বীকার করে যে, টাকার লোভে অজ্ঞাতনামা ডাকাতদের প্রলোভনে পড়ে সে শ্যামলকে ডাকাতদের নৌকায় তুলে দেয়। এই ঘটনার পর স্থানীয়রা জহিরুলকে আটক করে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সোপর্দ করে।

​৫ দিন পর মরদেহ উদ্ধার: নিখোঁজের ঘটনা জানিয়ে শ্যামলের ভাই বাদল দাস রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ ও স্বজনরা তাঁর অনুসন্ধানে নামেন। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে উদ্ধার হওয়া একটি অজ্ঞাত লাশের সন্ধান মেলে, যা পরবর্তীতে শ্যামল চন্দ্র দাসের বলে নিশ্চিত করেন তাঁর স্বজনরা।

ঘটনার বিষযটি নিশ্চিত করে রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মুজিবুর রহমান জানান, “নিখোঁজের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মরদেহ উদ্ধারের খবর পাই। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।”

​এদিকে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবরে রহিমাবাদ গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই নৃশংস ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL