তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
বরগুনার তালতলীতে আবারও চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বহিঃপ্রকাশ। চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি থেকে বের হতেই হামলার শিকার হলেন এক যুবক। প্রকাশ্য দিবালোকে হাতুড়ি, রড, লাঠি দিয়ে চলে নির্মম পিটুনি। হামলার নেতৃত্বে ছিলেন পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব হাবিনুর খান। ১৯ জুন বিকেলে সাংবাদিক দের কাছে এমনি অভিযোগ করেন আহত মনির মুন্সি।
গত সোমবার (৯ জুন) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের জয়ালভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবক মনির মুন্সি (২২) জয়ালভাঙ্গা গ্রামের হানিফ মুন্সির ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে ঈদ বকশিশ হিসেবে চাঁদা দাবি করেন হাবিনুর খান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। জোর করে ব্যবসায়ী সজিবের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টার পর উত্তেজনা তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মনির মুন্সি তার নানাবাড়ি মোনশাতলী যাওয়ার পথে পূর্বে ওঁৎ পেতে থাকা ‘হাতুড়ি বাহিনী’ তার ওপর হামলা চালায়।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হামলায় অংশ নেয়,হাবিনুর খান (৪০), পিতা ছালাম খান,জহির সিকদার (৩০), পিতা হানিফ সিকদার,আওয়াল সিকদার (৩০), পিতা সিদ্দিক সিকদার,আমিনুল ইসলাম (৩২), পিতা মজিবর হাং
,বেল্লাল ফরাজি (৩৮), পিতা সোবাহান ফরাজি।
মনির মুন্সির পরিবারের দাবি, হামলাকারীরা ‘রাজনৈতিক পরিচয়’ ব্যবহার করে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় তালতলী থানায় মামলা দায়ের করা করেছে।
হামলার বিষয় অস্বীকার করে হাবিনুর খান জানান,
আমি কোন হামলার সাথে জড়িত নেই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. শাহজালাল বলেন, ঘটনার বিষয়ে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।