খলিলুর রহমান রানা ।।
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিভেদ ও দোষারোপের রাজনীতি বিরাজ করছে। এতে একদিকে যেমন দলীয় সংগঠনের ভেতরে দেখা দিয়েছে বিভেদ বিভাজ্য, অন্যদিকে সাধারণ কর্মীদের মাঝেও হতাশা ও বিভ্রান্তি। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন একটি শক্তিশালী নেতৃত্ব—যিনি ভেদাভেদ ভুলিয়ে দলীয় ঐক্যের ভিত্তি গড়ে তুলতে পারবেন। আর সেই নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে পারেন উপজেলা বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান খোকন।
রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে
আব্দুর রহমান খোকনের রাজনীতির সক্রিয় সূচনা ১৯৮৬ সালে ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে। ১৯৮৯ সালে তিনি নরসিংদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ছাত্র রাজনীতিতে নিজের দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের প্রমাণ দেন। এরপর যুবদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন ২০০৯ সালে রায়পুরা উপজেলা বিএনপির কাউন্সিলে প্রত্যক্ষ ভোটে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ধারাবাহিকভাবে ২০১৪ ও ২০১৬ সালেও তিনি পুনরায় এই পদে নির্বাচিত হন, যা তার জনপ্রিয়তা ও সংগঠনের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতি বহন করে।
এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আব্দুর রহমান খোকন। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে ১৯টি মামলা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। হাসিনা সরকার পতনের আগের বছর নরসিংদী রেলস্টেশন থেকে ৮১ জন নেতাকর্মী সহ গ্রেপ্তার হয়ে কারাযাপন করেন তিনি।
দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি ৩৩টি মামলার আসামি হয়েও রাজনীতি থেকে সরে যাননি। আন্দোলন, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েও আদর্শ ও দলীয় বিশ্বাসে অবিচল থেকেছেন সাহসিকতার সহিত।রাজপথের লড়াকু সৈনিক।
তাকেই “নির্বাচনের মাধ্যমে , এম পি, হিসাবে চাই।
যোগ্য ব্যক্তিকে মূল্যয়ন করা উচিত