সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীতে বেপরোয়া সিএনজি অটোরিকশার ওভারটেকিংয়ের জেরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ১, আহত একাধিক নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগের মশাল মিছিলের প্রতিবাদে চর মধুয়া ইউনিয়ন বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাসিন্দা ও চবি শিক্ষার্থীর কাপ্তাই হ্রদে তলিয়ে মৃত্যু ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জিএম নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার জনস্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকল্পে নরসিংদীতে চিকিৎসক মতবিনিময় সভা নরসিংদীর খবর রায়পুরায় ৩টি হত্যাসহ ১০ মামলার আসামি হান্নান ও সন্ত্রাসী নুরুল ইসলাম গ্রেপ্তার একসঙ্গে একই পরিবারের তিনজন মারা গেছেন পানিতে ডুবে নরসিংদীতে নিষিদ্ধ সংগঠন যুব মহিলা লীগের নেত্রী মাহিয়া মনি গ্রেপ্তার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: আনন্দ র‍্যালিতে রায়পুরার পথে চর মধুয়া ইউনিয়ন গ্যাস–বিদ্যুতের সমস্যা আজকের না, দীর্ঘদিনের: বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী

আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি বহাল রাখতে পারে বাংলাদেশ

মেঘনা টিভি নিউজ ডেস্ক:
ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনা অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ। মূলত দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ এবং আইনি জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।

এ জন্য বিদ্যুৎ কেনার ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি দাম নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল তাও আপাতত স্থগিত থাকবে। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন সরকার তার পূর্বসূরির চুক্তিগুলো, বিশেষ করে বিশেষ আইনের অধীনে করা স্বচ্ছতার অভাব থাকা ত্রুটিযুক্ত প্রকল্পগুলো পর্যাপ্তভাবে জাতির স্বার্থ রক্ষা করেছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য একটি প্যানেল তৈরি করেছে। মূল্যের উদ্বেগের জন্য ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ঝাড়খন্ডে আদানির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত ২৫ বছরের জন্য বিদ্যুৎ কেনার চুক্তিটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি বাংলাদেশের বিদ্যুতের চাহিদার প্রায় এক দশমাংশ পূরণ করে। তাই আদানির চুক্তিটি সরাসরি বাতিল করা কঠিন হবে।

এ ছাড়া চুক্তিতে কোনো ধরনের জালিয়াতি করা হয়েছে কি না সেই সম্পর্কে শক্তিশালী প্রমাণ ছাড়া আন্তর্জাতিক আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জ ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দ্বিতীয় সূত্র জানিয়েছে, চুক্তি থেকে সরে আসা সম্ভব নাও হতে পারে, একমাত্র সম্ভাব্য বিকল্প হচ্ছে মূল্য কমানোর জন্য পারস্পরিক সমঝোতা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘কমিটি বর্তমানে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে, তাই এই বিষয়ে মন্তব্য করা সময়োচিত হবে না।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মকর্তা ২০২৩- ২৪ অর্থ বছরের সর্বশেষ অডিট রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘আদানি পাওয়ার বাংলাদেশে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য প্রায় ১২ টাকা করে নেয়। এটি ভারতের অন্যান্য বেসরকারি উৎপাদকদের হারের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি এবং ভারতীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কেন্দ্রগুলোর তুলনায় ৬৩ শতাংশ বেশি।

ভারতের একজন মুখপাত্র বলেছেন,বাংলাদেশ চুক্তিটি পর্যালোচনা করছে বলে আদানির কাছে কোনো ইঙ্গিত নেই। বকেয়া বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও আমরা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছি, যা উল্লেখযোগ্য উদ্বেগের বিষয় এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যক্রমকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।

আদানি পাওয়ার বকেয়া বাবদ বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রায় ৮০ কোটি ডলার পাবে। এই অর্থ পরিশোধের চেষ্টা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

আদানি পাওয়ারের মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্রমাগত সংলাপ চালাচ্ছি, যারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে আমাদের বকেয়া শিগগিরই পরিশোধ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL