ডেস্ক রিপোর্ট:
রায়পুরা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় ০২ জন আসামিকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১। দিপু মিয়া (২২), পিতা: জজ মিয়া,সাং: চর মরজাল, থানা: রায়পুরা, জেলা: নরসিংদী ও ২। রাকিব হাসান ওরফে রুবেল (২৬), পিতা: রফিকুল ইসলাম, সাং: চর মরজাল, থানা: রায়পুরা, জেলা: নরসিংদী।
রায়পুরা থানা পুলিশের অপর একটি টিম অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক ০৬ মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালাম (২৫), পিতা: ইদ্রিস আলী, সাং: মেথিকান্দা, থানা: রায়পুরা, জেলা:নরসিংদীকে মেথিকান্দা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন।
রায়পুরা থানাধীন পূর্ব হরিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ মফিজ মিয়া (৪৮), পিতা: আয়ন উদ্দিন মিয়া, সাং: ঘোড়াকান্দা, থানা: ভৈরব, জেলা: কিশোরগঞ্জ-কে গ্রেফতার করেছে রায়পুরা থানা পুলিশ। আসামি মফিজ মিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায়। এ বিষয়ে রায়পুরা থানায় একটি নিয়মিত মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান চালিয়ে ৩৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জালাল উদ্দিন (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। নরসিংদী সদর থানাধীন বানিয়াছল পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সংক্রান্তে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
মনোহরদী থানা পুলিশ পৃথক অভিযান পরিচালনা করে মোট ০৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছে। এর মধ্যে ১২ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ০২ জন, নিয়মিত মামলায় ০১ জন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক ০৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ০১ জন আসামি রয়েছেন।
পলাশ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলায় আমিরা ফকির (৪৫) নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করা করেন। পলাশ থানাধীন ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসানহাটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
জেলাজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং মাদক ও অপরাধ দমনে নরসিংদী জেলা পুলিশের এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।