সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি নরসিংদীর লোক ভাড়া করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২ প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী অসুস্থতায় বিছানায় ধুঁকছেন সহাস্যমুখের সাংবাদিক এম এ সালাম রানা শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে : ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২০০ ইউনিট রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেকর্ড ১,৩২১ মেগাওয়াট উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলিতে যুবক নিহত নরসিংদীতে ইউএনও’র আদেশ অমান্য করে বসতবাড়িতে প্রবেশের একমাত্র রাস্তা বন্ধ, অবরুদ্ধ পরিবার!

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরতে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি : সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারতে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, বিষয়টি আদালতের সম্পৃক্ততায় একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। তাই ফেরত পাঠানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।
ত্রিবেদী জানান, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এরই মধ্যে এ বিষয়ে দেশটির অবস্থান একাধিকবার পরিষ্কার করেছেন। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দেওয়ার প্রশ্নেও একই ধরনের আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে বলে জানান তিনি।
শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে গেলেন, তা ব্যাখ্যা করে হাইকমিশনার বলেন, তাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের তৎকালীন পরিস্থিতির কারণে তিনি ভারতে এসেছিলেন। ত্রিবেদীর ভাষায়, ‘একজন প্রতিবেশী হিসেবে তখনকার বাস্তবতাকে গ্রহণ করাই ভারতের দায়িত্ব ছিল।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় একটি সামরিক বিমান ভারতে এসেছিল এবং ভারতও এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না। তখন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং পরিস্থিতির বাস্তবতায় ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের রয়েছে। একইভাবে ভারতেরও নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষার অধিকার রয়েছে।
দুই দেশের সম্পর্ককে শুধু লেনদেনের দৃষ্টিতে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে। মতপার্থক্য থাকলেও তা সমাধানের পথ হিসেবে সংলাপ, আলোচনা ও পারস্পরিক যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো আস্থা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL