পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফরিদ হোসেন হাওলাদারের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভ জানিয়েছেন।
শনিবার (৯ আগষ্ট) পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন ও সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পিরোজপুর জেলা জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ফরিদ হোসেন হাওলাদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং উপজেলা বিএনপির সুপারিশে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।
দলীয় সূত্র থেকে জানাযায়,পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্য শাহারিয়ার বাড়িতে হামলা, লুটপাটের ঘটনায় জেলা বিএনপির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফরিদ হোসেন হাওলাদারকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
এ বিষয় ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য শাহারিয়া জানান,আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরের দিন বিএনপির নেতা ফরিদ হোসেন একদল সন্ত্রাসী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার বাড়ি হামলা, লুঠপাট ও ভাংচুরের পর আগুন দিয়ে ঘর জালিয়ে দেয়।তারপরে আমার স্ত্রী ও চার বছরের মেয়ের ওপর হামলা করে।পরে তাদের হাত থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। আমার ঘর থেকে তারা ৪ লক্ষ বারো হাজার টাকা ও দশ বরি স্বর্নকার নিয়ে যায়। বিএনপির নেতা ফরিদ হোসেনের পদ প্রত্যাহার এখন আতঙ্কে রয়েছি।
অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে বিএনপি নেতা ফরিদ হোসেন হাওলাদার বলেন,ইউপি সদস্য বাড়িতে হামলার ঘটনায় আমি জরিত না।
এ বিষয় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার বলেন,শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মো. ফরিদ হোসেন হাওলাদারকে দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছিল।
তবে এ ঘটনায় বেশি কিছু জানি না। পরে বিস্তারিত জেনে বলতে পারবো।