শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সর্বনাশা অনলাইন জুয়ার থাবা: নরসিংদীতে সিআইডির অভিযানে আটক ৫, ধ্বংসের মুখে যুবসমাজ রায়পুরা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আলোচনার শীর্ষে নূর আহমেদ চৌধুরী মানিক একযোগে পুলিশের ২৩ কর্মকর্তা বদলি রায়পুরার চাঁনপুরে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গোলাবারুদসহ গ্রেপ্তার ৩ শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে দেশসেরা নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুল শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমেই সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে: রায়পুরায় ফাইজুর রহমান সরকার বাছেদ নরসিংদীর রায়পুরায় ভয়াবহ মেঘনা নদী ভাংগন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন,ব্রিজ নির্মান ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা মারা গেছেন মেসির বাবা! জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি, যা বলছে মন্ত্রণালয়

আত্রাইয়ে লাগামহীন সবজির বাজার দিশেহার নিম্ন আয়ের মানুষ

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাইয়ে সবজির লাগামহীন দামে দিশেহারা হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের সাধারন মানুষরা। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত মানুষরা চরম বিপাকে পড়েছে। ৫০-৬০ টাকা কেজি দরের নীচে উপজেলার গ্রামীন বাজার গুলোতে কোন সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। মাঠ পর্যায় প্রশাসনের নজরদারির অভাবে পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতারা সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্য অমান্য করে চড়া দামে সবজি বিক্রি করায় এই লাগামহীনতা আরো চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয় পাইকাররা বলছেন, প্রতি বছর এই সময়ে প্রচুর পরিমান শাকসবজি কৃষকরা গ্রাম থেকে বাজারে আনলেও বন্যা আর দফায় দফায় অতিবৃষ্টির কারণে আগাম জাতের সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই বাজারে সবজির আমদানী কমে যাওয়ায় চড়া দামে বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

উপজেলার সদরে অবস্থিত সাহেবগহ্জ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মোঃ মিজানুর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে সবজি চাষীরা বৃষ্টির কারণে আশানুরুপ সবজি চাষ করতে পারে নাই। তাই বাজারে আমদানি কম হওয়ায় পাইকারী কেনা দরের চেয়ে সামান্য কিছু লাভ হাতে রেখে আমি সবজি বেঁচা- কেনা করছি। লাগামহীন ভাবে প্রতিদিনই সবজির দর বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে বেচা-কেনা করতে গিয়ে ক্রেতাদের সাথে মনোমালিন্য সহ বাকবিতন্ডার মতো ঘটনা ঘটছে।

তার পরও গত সপ্তাহে চেয়ে এ সপ্তাহে সবজির বাজার কিছুটা কমছে আজ সোমবার(১৪ অক্টোবর) সবজি ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকারি বেঁধে দেওয়া আলুর প্রতি কেজির দর ৩৫ টাকা হলেও আমরা খুচরা বিক্রি করছি ৬০ টাকা। পটল ,করলা ও বেগুন ৬০ টাকা দরে পেঁয়াজ একশত কুড়িটাকা, কপি ১২০ টাকা, ছিম ১২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কারণ আমরা কিনছি বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।তবে স্বাভাবিক পর্যায়ে আসতে আরো দেরি হবে। হাসান, এনামূল,শিহাব, মরিয়ম, রওশন আরা শিলা জানান, অতিবৃষ্টির কারনে এমনিতে আমাদের হাতে কাজ নেই।

তারপর বাজারে নিত্যপন্য দ্রব্যের মূল্য উর্দ্ধগতি হওয়ায় আমরা পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। সরকারি ভাবে যদি খোলা বাজারে আলুসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যগুলো বিক্রিয় করা হতো তাহলে আমরা উপকৃত হতাম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জিতা বিশ্বাস জানান, বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রনে বিভিন্ন হাট ও বাজারে অভিযান চলমান আছে। সরকারি বেঁধে দেওয়া মূল্যের চেয়ে অধিকদামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


https://www.facebook.com/profile.php?id=100089135320224&mibextid=ZbWKwL